“Facebook & TikTok Chronology”

CHRONOLOGY বোঝাচ্ছি, বুঝবেন দয়া করে…

বেশ কিছুদিন আগে অনেকগুলো চাইনিজ অ্যাপ ব্যান করা হয় সরকার দ্বারা, ভালো করেছে। চীনকে শাস্তি দিতে এরকম উদ্যোগ কতটা সঠিক জানিনা তবে অন্যান্য দিক দিয়ে দেখলে কিছু কিছু অ্যাপের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়েছে সেগুলো ব্যান হওয়া উচিত ছিল। টিকটকের নাম সবার আগে আসবে এক্ষেত্রে..
তারপর বেশ কিছুদিন কেটে গেল, ইনস্টাগ্রামে যারা আছেন তারা ভালো করেই জানেন সেখানে ইনস্টাগ্রাম রিলস্ বলে একটা ওই ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও বানানোর/আপলোড করার জায়গা এসেছে। খুব ভালো কথা, ইনস্টাগ্রাম তো চাইনিজ নয় মেনে নেওয়াই যায়। প্রসঙ্গত বলে রাখি ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটস্অ্যাপ এদের মালিক আর ফেসবুকের মালিক একটা লোকই।
তারও কিছুদিন পরে দেখলাম ফেসবুকেও তাই হচ্ছে, সেই ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও বা তার কিছুটা বেশি, সেরকম ভিডিও বানানো এবং আপলোড করা যাচ্ছে।
এগুলো ছিল ঘটনা, এবার বোঝাই…

কদিন আগেই একটা আর্টিকেল সারা বিশ্বে প্রচণ্ড উথাল পাতাল এনে দিয়েছিল (ইন্ডিয়ান মিডিয়া শুধু জানেনা ব্যপারটা), ‘Wall Street Journal’ এর একটা আর্টিকেলে বলা হয়েছিল কিভাবে ফেসবুকও চাটনদারির মাধ্যমে ভারতে নিজেদের ব্যবসা করে যাচ্ছে বিগত কয়েক দশক ধরে। কিভাবে হেট স্পিচের বিরুদ্ধে তারা কোনো অ্যাকশন নেয়না, সরকারকে খুশি রাখতে চায় সবসময়। আরও অনেক কিছু রয়েছে সেই আর্টিকেলে।
এবার আপনি ভাবুন আমি আপনাকে সবসময় খুশ রাখব আপনি ব্যবসা করবেন, আপনি আমাকে যা ট্যাক্স দিচ্ছেন তার বদলে তো আমারও কিছু করণীয় থাকবে। সঠিক সুযোগ বুঝে টিকটিক ব্যান করে ফেসবুককে মাঠে নামিয়ে দেওয়াটা খুব সুন্দরভাবে দেশগঠনের কাজে লাগিয়ে দিল এনারা। আমি আপনি আমরা ভাবলাম চাইনা বয়কট।

‌ক্যাপিটালিজম এটাই, মুকেশ আম্বানি ব্যবসা করে বড়লোক হতে থাকবে, জুকারবার্গ নিজের ব্যবসা আরও শক্ত করবে। গরীব, মধ্যবিত্তরা কী করছে যায় আসেনা…যে বা যারা পার্টি ফান্ডে টাকা ঢালবে তারা সবাই ভালো, তাদের সুযোগ করে দেওয়া পার্টি তথা সরকারের কর্তব্য হয়ে যায় তখন !!

সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত
লেখায় – অভিরূপ

ধন্যবাদ

Leave a Comment